ইনফ্রারেড চুলা কি?: মানবদেহের শক্তির প্রধান উৎস হলো খাদ্য। খাদ্য ছাড়া মানুষের জীবন কল্পনা করা যায় না। মানুষ কাঁচা শাকসবজি, ফলমূল, শস্য গ্রহণের পাশাপাশি রান্না করা খাবার নিয়মিত গ্রহণ করে থাকে। দৈনন্দিন জীবনে মানুষ কাঁচা খাবারের চেয়ে রান্না করা খাবার বেশি পরিমাণে খেয়ে থাকে। আদিম যুগ থেকে অদ্যাবধি মানুষের খাবার রান্নার ধরন নানাভাবে বদলেছে। কেউ দুবেলা আবার কেউ তিন থেকে চার বেলা রান্না করা খাবার খেয়ে থাকে। ধারাবাহিকতায় এই ডিজিটাল যুগে এসে মানুষের রান্নায় এক বিশেষ মাত্রা যোগ করেছে ইলেকট্রিক চুলা/ কুকার। এই আর্টিকেলে আমরা ইন্ডাকশন কুকার বা চুলা সম্পর্কে আমি জানবো।
ইনফ্রারেড কুকার/চুলা
ইনফ্রারেড কুকার/চুলা পাত্রকে হিট করতে ইনফ্রারেড রশ্মি ব্যবহার করে। এরপর পাত্র থেকে রান্নায় তাপ পরিবাহিত হয়। পুরনো দিনের চুলা গুলো যেখানে রেডিয়ান্ট পদ্ধতিতে তাপ পরিবহন করে সেখানে ইনফ্রারেড কুকার ইনফ্রারেড রে (রশ্মি) ব্যবহার করে পাত্রে তাপ পরিবহন করে।
ইনফ্রারেড কুকার/চুলার সুবিধা
- ইনফ্রারেড কুকার পাত্রকে গরম করতে ইনফ্রারেড রে (রশ্মি) ব্যবহার করে।
- ইনফ্রারেড কুকারের সব ধরনের হাড়ি পাতিল ব্যবহার করে রান্না করার সুবিধা রয়েছে। যা ইন্ডাকশন কুকারে সম্ভব নয়।
- কোন কারনে বিদ্যুৎ চলে গেলেও এটি ঠান্ডা হতে দেড় থেকে দুই মিনিট সময় নেয় অর্থাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পরেও ইনফ্রারেড কুকার দেড় থেকে দুই মিনিট সচল থাকে।
- ইনফ্রারেড কুকারে সাধারণ চুলার তুলনায় মোটামুটি দ্রুত রান্না করা যায়।
- ইনফ্রারেড কুকারে তাপ/হিট নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বিদ্যুৎ বিল মোটামুটি ধরনের। মাসিক হিসেবে যারা সাধারণ গ্যাসের চুলার তুলনায় অনেক কম।
ইনফ্রারেড কুকার/চুলার অসুবিধা
- ইনফ্রারেড কুকারে ব্যবহার হওয়ায় বিদ্যুৎ অপচয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
- সাধারণ চুলার তুলনায় দাম অনেক বেশি।
- বিদ্যুৎ নির্ভর হওয়ায় বিদ্যুৎবিহীন এলাকায় অথবা অতিমাত্রায় লোডশেডিং এ এটি ব্যবহার করা দুর্ভোগের কারণ হতে পারে।
আরও পড়ুন: ইন্ডাকশন চুলা কি এর সুবিধা-অসুবিধা জানুন
উপরোক্ত আলোচনার মাধ্যমে আমরা ইনফ্রারেড চুলার পরিচয় এবং এর সুবিধা ও অসুবিধা সম্পর্কে অবগত হতে পারি।
